২০২৪ সালের অক্টোবরে পার্কিং নিয়ে বিরোধের সময় গুলি চালানোর ঘটনায় চিকটোওয়াগার এক ব্যক্তির বিরুদ্ধে খুনের অভিযোগ আনা হয়েছে। এ নিয়ে এরি কাউন্টি জেলা অ্যাটোর্নি অফিস জানায়, ৪৪ বছর বয়সী রিচার্ড জে. ওয়ালসকে বৃহস্পতিবার রাজ্যের সুপ্রিম কোর্টে দ্বিতীয়-ডিগ্রি হত্যার অভিযোগে হাজির করা হয়েছে।
চিকটোওয়াগার সিডার রোডের ১০০ ব্লকে ২০২৪ সালের ১২ অক্টোবর ঘটনাটি ঘটে। জেলা অ্যাটর্নি অফিস জানিয়েছে যে ওয়ালসের বিরুদ্ধে রাস্তায় পার্কিং নিয়ে বিরোধের সময় ২০ বছর বয়সী মো. রওনাক হাসান রাতিনকে একটি হ্যান্ডগান দিয়ে বুকে গুলি করার অভিযোগ রয়েছে। যেখানে পরে রাতিনকে হাসপাতালে মৃত ঘোষণা করা হয়।
গুলি চালানোর পর, রাতিনের বাবার সাথে কথা বলা হয়, যিনি আংশিকভাবে বলেছিলেন, ‘আমি এটা বিশ্বাস করতে পারছি না, কারণ আমার ছেলে একজন ভালো ছেলে।’
এদিকে জেলা অ্যাটর্নির অফিস জানিয়েছে যে ওয়ালসকে জামিন ছাড়াই আটক করা হয়েছে এবং আদালতে ফেরত পাঠানোর তারিখ নির্ধারণ করা হয়নি। অভিযোগে দোষী সাব্যস্ত হলে, ওয়ালসের সর্বোচ্চ ২৫ বছর থেকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড হতে পারে।
৯৩ টুডোর রোড চিকটোয়াগার বাসিন্দা রওনক হাসান। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ২০ বছর।
রওনক তার বাসা থেকে দুই বল্ক দূরে সিডার রোডে বন্ধুদের নিয়ে আড্ডা দিচ্ছিলেন। ওই সময় এক স্থানীয় লোকের সঙ্গে তাদের কথা কাটাকাটি হয়। এক পর্যায়ে ওই লোকটি তার পকেট থেকে বন্দুক বের করে গুলি চালালে রওনক গুলিবিদ্ধ হন। গুলিবিদ্ধ অবস্থায় তাকে দ্রুত হাসপাতালে নিলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
রওনকের বাবার নাম মো. আতাউর লিটন। তার গ্রামের বাড়ি বগুড়ার শিবগঞ্জে। তারা দীর্ঘদিন ধরে বাফলোতে বসবাস করছেন।
বাফলোতে বাংলাদেশি যুবক গ্রেপ্তার
যুক্তরাষ্ট্রের বাফলোতে বাংলাদেশি এক যুবককে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। বুধবার জেনেসি ও হারলেম কর্ণারে স্পিডওয়ে গ্যাস স্টেশন থেকে রানা নামের যুবককে সকাল ৮ টায় ইমেগ্রেশন পুলিশ গ্রেপ্তার করে। তার গ্রামের বাড়ী বাংলাদেশের নোয়াখালীতে।
জানা যায়, রানার অ্যাসাইলাম মামলা চলছে। তবে ওয়ার্কপারমিট নেই। অ্যাসাইলাম রিজেক্ট হওয়ার পর নতুন করে আপিল করা হয়েছে। এ বিষয়ে তার এক আত্মীয়ের বরাতে জানা যায়, রানার বিষয়ে অ্যাটর্নি কাজ করছে। ধারণা করা হচ্ছে রানাকে ফোন ট্র্যাকিংয়ের মাধ্যমে গ্যাস স্টেশন লোকেশন থেকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তার বাসা ইস্ট ডেলিভান সংলগ্ন। বর্তমানে সে ইনডিফেন্ট কট্রাক্টর হিসেবে কাজ করছে।
বাফলোতে ইতিমধ্যে বেশ কয়েকজন নথিপত্র ছাড়া ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তবে এই প্রথম কোন বাংলাদেশি গ্রেপ্তার হলেন।
এ বিষয়ে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক বাফলোর সাবেক এক পুলিশ কর্মকর্তা বাফলো প্রতিদিনকে জানান, গ্রেপ্তারের ব্যাপারে বাফলো পুলিশ কিছু জানে না। এটা সম্পূর্ণ ইমেগ্রেশন পুলিশের এখতিয়ার। তবে তাদেরই গ্রেপ্তার করা হচ্ছে যাদের নথিপত্র নেই ও মামলা চলমান রয়েছে।
উল্লেখ্য, প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ক্ষমতা গ্রহণের পর থেকে আন ডকুমেন্টটেড গ্রেপ্তার অভিযানের মধ্যে এ পর্যন্ত ৫ জন বাংলাদেশি গ্রেপ্তারের খবর পাওয়া গেছে। নিউইয়র্ক সিটিতে ২ জন ফিলাডেলফিয়াতে ১ জন ও বাফলোতে একজন এবং আটলান্টাতে একজন।